গল্পটা হলো আমার পাশের বাড়ি কাকিমা কে নিয়ে
রাত যত গভীর হলো, অনুভূতিও তত বাড়ল
হ্যালো বন্ধুরা আজকে আমি তোমাদের সাথে এমন একটা গল্প শেয়ার করতে চলেছি যেটা শুনে তোমাদের রাত যত গভীর হলো, অনুভূতিও তত বাড়ল শুরু হবে
গল্পটা হলো আমার পাশের বাড়ি কাকিমা কে নিয়ে
আমি গৌতম আমার বাড়ি উত্তর দিনাজপুর এ আমি কলেজে এ সেকেন্ড দিয়ার পড়ি আমার বাবা একটি মুদিখানা দোকান আছে সকাল থেকে রাট পর্যন্ত দোকান চালায়
পাশের বাড়ির একটা সুন্দর কাকিমা ছিল যার নাম ছিল সৌমিতা যেমন দেখতে তেমন তার সুন্দর্য সে গায়ের রং খুব ফর্সা আর কোমর অব্দি তার চুল দুধের সাইজও ৩৬ মনে হতো ব্লউসে থেকে তার দুধ বেরিয়ে আস্ত আর সব থেকে আকর্ষণীয় জিনিষটা হলো তার হাসি সেটা দেখে যে কেউ তার প্রতি মুদ্ধ হয়ে যেত
একদিন সকাল বেলা সে কলে এসে বাসন ধুচ্ছিলো হাত কাটা নাইটি পরে যখন কলে আসতো আমি সেটা দেখার জন্য সকালে ৬ তা সময় ঘুম থেকে উঠে দাঁত মাজতাম
দাঁত মাজতাম আর সে ঝুলে ঝুলে বাসন মাজত ধুয়েছিলো আমি একবার করে দেখছি হটাৎ দেখতে দেখতে দুজনার চোখে চোখ পড়লো সে আমায় দেখে বললো কিরে গৌতম আজকে এতো সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেছিস
আমি বললাম পড়তে যাবো বলে
কাকী বললো ও তোর মা কোথায় আমি বললাম মা এখনো ঘুমাচ্ছে
তারপর আমি দুপুর বেলা ছাদে উঠে চুপি উঠে দেখি কাকিমা কল পারে বসে চান করছে আর আমি ছাদের আড়াল থেকে চুপি চুপি দেখতে লাগলাম
চান করে কাকিমা ঘরে গিয়ে জামা কাপড় চেঞ্জ করে বাইরে জামা কাপড় মেলতে এলো মেলে চলে গেলো
এই ভাবে সকাল থেকে দেখার পর আমার মন ততো অনুভূতিও তত বাড়ল লাগলো
তারপর রাতে খাওয়া দাওয়া করে আমি যেকোন বিছনায় শুয়ে পড়ি তখন সকাল থেকে রাট পর্যন্ত সব কথা আমার মনে ভেসে আস্তে শুরু করলো
সেই কাকিমার বাসন মাজা দুপুরে চান করে আর রাত যত বাড়তে লাগলো
গভীর হলো, অনুভূতিও তত বাড়ল বাড়তে বাড়তে
আমি ভাবলাম কি করে কাকিমার সাথে সেক্স করা যায়
তারপর পরের দিন কাকিমা মাকে এসে বললো যে আমার স্বামী একটু কদিনের জন্য বাইরে একটা কাজ এ যাচ্ছে আমার রাতে এলাকা থাকতে খুব ভয় লাগছে গৌতম কে একটু বলবে যে বাড়িতে কদিন থাকতে রাতে খাওয়া দাওয়া করে যাবে
মা বললো বেশ ঠিক আছে কিন্তু বোরো হয়েছে তো দেখো একটু
কাকী বললো বেশ
তারপর মা আমায় ডাকলো দিয়ে কাকী সামনে বসে আছে মা আমাকে বললো তোর কাকু একুট বাইরে কাজ এ গিয়েছে যে কাকীর সাথে রাতে একটু থাকিস না
আমি বললাম মা কিন্তু মা বললো কাকী কে বলে দিয়েছি কাকী নিচে সবে তুে খাতের ওপর এ সুবি
আমি বললাম বেশ ঠিক আছে
তারপর সেইদিন রাতে খাওয়া দাওয়া করে আমি কাকী দের বাড়িতে গেলাম
কাকী রাতে বেলা সেদিন লাল রঙের একটা সাটিন নাইটি পরে ছিল
ওটা দেখে আমার চোখ কপালে উঠলো আমি কাকিমনির দিকে হা করে তাকিয়ে রইলাম কাকী আমায় বললো কি রে গৌতম কি হলো
আমি বললাম কাকীমনি আমি তোমায় এই রূপে কোনোদিন দেখি নাই
আজকে তোমায় এই রূপে দেখে আমার বিয়ে করতে মন করছে
তারপর কাকী আমায় বললো যে তোদের তো এখন বিয়ে করতে মন করবেই
তো তুে বল তুে কেমন মে চাষ
আমি বললাম তোমার মতো
কাকী বললো আমায় যদি পাস্
কাকীর মুখ থেকে কথা শুনে অবাক হয়ে গেলাম
আমি বললাম না মানে
কাকী আমায় বললো
যে কি ভাবছিস আমি কিছু বুজতে পারি না
রোজ সকালে উঠে উঠোনে দাঁত মাজতে আসিস
আমি চান করার সময় ছাদ থেকে দেখিস
আমি বললাম তুমি এগুলো দেখছো
কাকী বললো হা
তারপর কাকী আমায় বললো তোর কাকু বাইরে একটা কাজ এ গিয়েছে কবে ফিরবে জানি না
কাকী আমার সাথে বিছানায় শুয়ে পড়লো তারপর আমরা দুজন এক বিছানায়
রাতে ১১ তা বাজে ঘুম আসছে না আমার
এই ভাবতে ভাবতে রাতে ১২ হলো
রাত যত গভীর হলো, অনুভূতিও তত বাড়ল হতে থাকলো আমার
তারপর আমি কাকীর গায়ে আস্তে করে হাত দিলাম
কোনো সারা পেলাম না
একটু হাত তা বাড়িয়ে কাকীর বুকের দিকে নিয়ে গেলাম কাকী হালকা করে চোখ তা খুললো
আমার দিকে তাকিয়ে বললো কি করছিস আমি বললাম কিছু না
দিয়ে আমায় বললো খুবইচ্ছা করেছে আমি বললাম হা
কাকী দিয়ে আমার দিকে ঘুরে আমায় বুকের কাছে টেনে নিলো আমি নাইটির ওপর দিয়ে
দুধের ওপর মুখ লাগিয়ে ঘষতে লাগলাম তারপর কাকী আমায় ছাড়লো
ছেড়ে
কাকী
বললো তুে কাউকে বলবি আমার আর তোর মধ্যে এই কথা আমি বললাম বেশ ঠিক আছে
আমি কাকী মনি ধরে কিস করতে লাগলাম কি করতে করতে
দুধ গুলো টিপতে লাগলাম টিপে টিপতে কাকী জোরে নিঃস্বাস নিতে লাগলো কাকীর ঘাড়ে কপালে কিস করতে লাগলাম
এইভাবে ১০ মিনিট চলার পর কাকী নাইটি তা খুলে দুধ চুষতে লাগলাম চুষতে চুষতে কাকীরমনি আমায় বললো গৌতম আর পারছি না যে
আমার জল বেরোচ্ছে আমি তারপর নিচে নামতে লাগলাম
নিচে নামতে নামতে
দেখলাম জল বের হয়েছে আমি ওটা চুষতে লাগলাম চুষতে চুষতে
কাকী আর আমি একটা অন্য অনুভিত তে চলে গেলাম
তারপর আমার বাড়া তা কাকমনি এসে চুষতে লাগলো আমার তখন ফিলিংস হাই লেভেল এ চলে যাচ্ছে
ফিলিং উঠে আমি কাকিমই কে বললাম যে দাড়াও আমি ঢোকাই
কাকী মনি পা দুটো ফাক করলো আমি সেই সময় আস্তে করে আমার বাড়াটা কাকিমনির গুদে ঢোকালাম ঢোকাতেই কাকিমনি একটা জোরে চিৎকার দিয়ে উঠলো
আআআ আআ আআআআ আআ হম্মম্মম্ম
এই আওয়াজ শুনে আমার থাপ এর গতি আস্তে আস্তে বাড়তে লাগলো কাকিমনি
চিৎকার শুনে আমি জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলাম
এইভাবে ১০ মিনিট করার পর কাকিমনির মাল আউট হতে লাগলো
এর পরে কি গোল আমরা পরে গল্পে জন্য বন্ধুরা
তোমাদের যদি এই গল্প তা ভালো লেগে থাকে তাহলে আমায় কমেন্ট করে জানিয়ো
প্রায় ১০ মিনিট ধরে এইরকম চলার পর কাকিমনির শরীর একেবারে ছেড়ে দিল আর রস বের হতে লাগল।
বন্ধুরা, এর পরবর্তী অংশে ঠিক কী ঘটেছিল, তা আমরা গল্পের পরের পর্বে আলোচনা করব।
আপনাদের যদি এই গল্পটি ভালো লেগে থাকে, তবে অবশ্যই আমাকে কমেন্ট করে আপনাদের মতামত জানাবেন।




Leave a Reply